বকেয়া ও সকালের সারসংক্ষেপ
টাকা-পয়সা আর সকাল, দুটোই নিয়মে।
চেম্বারের সবচেয়ে অনাকর্ষণীয় দুটো কাজ: ফি-র তাগাদা আর সিনিয়রকে জানানো আজ কী আছে। তারিখ দুটোই সামলায়: মামলা ধরে ফি ও পেমেন্টের খাতা, আর সকাল ৭টার একটা ইমেইল যা প্রথম কাপ চায়ের আগেই দিনের শুনানি সিনিয়রের ইনবক্সে পৌঁছে দেয়।
বকেয়া
কার কত বাকি, স্প্রেডশিট ছাড়াই।
প্রতিটি মামলার নিজস্ব খাতা। চেম্বারের মোট হিসাব সেখান থেকে নিজে থেকেই আসে।
প্রতিটি মামলায় ফি-র খাতা
প্রতিটি মামলায় কত ধার্য হলো আর কত আদায় হলো লিখুন - তারিখ মক্কেল ধরে বাকি আর পুরো চেম্বারের মোট বকেয়া দেখিয়ে দেয়। প্রতিটি পেমেন্টে তারিখ ও কে লিখেছেন তা থাকে, তাই মার্চে কে কত দিয়েছিলেন সেই বিরোধ মেটে দেখে, মনে করে নয়।
- মামলা ধরে ধার্য, আদায় ও বাকি
- পুরো চেম্বারের মোট বকেয়া এক নজরে
- প্রতিটি পেমেন্টে তারিখ আর যিনি লিখেছেন তাঁর নাম
- মামলার PDF ও CSV-র সাথে বাকির হিসাবও এক্সপোর্ট হয়
- ৳৪৫,০০০CR-2419/24করিম রহমান
- ৳১২,০০০WP-318/25আক্তার হোসেন
- ৳৮,৫০০FM-42/24সালমা বেগম
সকালের সারসংক্ষেপ
চায়ের সাথে দিনটা পড়ে নিন।
চেম্বার আজ কী করছে জানতে সিনিয়রকে অ্যাপ খুলতে হবে কেন?
প্রতিটি সিনিয়রের কাছে সকাল ৭টার ইমেইল
বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায়, রবি থেকে বৃহস্পতি, প্রতিটি সিনিয়র একটা ইমেইল পান দিনের শুনানির তালিকাসহ: পক্ষ, মামলা নং, আদালত ও ধাপ। শুক্র-শনি বাদ। একটা লিংকে বিস্তারিতের জন্য ড্যাশবোর্ড খোলে।
- সকাল ৭:০০ Asia/Dhaka সময়ে, রবি থেকে বৃহস্পতি
- প্রতিটি শুনানির পক্ষ, মামলা নং, আদালত ও ধাপ
- শুক্র ও শনি নিজে থেকেই বাদ
- এক ট্যাপে ড্যাশবোর্ড খোলে
ভেতরের কথা
ইচ্ছে করেই একঘেয়ে।
ফি-র হিসাব আর সময়সূচি তখনই কাজ করে যখন একদম ঠিক হয়। একদম ঠিক মানে কী, দেখুন।
সহজ খাতা, হিসাবরক্ষণ সফটওয়্যার নয়
মামলা ধরে দুটো কলাম - ধার্য ও আদায় - আর একটা বাকি। ইনভয়েস নেই, ট্যাক্স কোড নেই। চেম্বার যে একটা প্রশ্ন করে, তার উত্তর: এই মক্কেলের আর কত বাকি?
সারসংক্ষেপ শুধু সিনিয়রদের কাছে
জুনিয়র ও মুহুরি সারাদিন অ্যাপেই থাকেন। সিনিয়র পড়েন ইমেইল। সারসংক্ষেপ লেখা সেই পাঠকের জন্য, যিনি একবার চোখ বুলিয়ে ফোন রেখে দেন।
বাংলাদেশ সময়, শুরু থেকে শেষ
তারিখের প্রতিটি তারিখ Asia/Dhaka সময়ে হিসাব হয়। রাত ১১:৩০-এ লেখা তারিখ সেই দিনেই থাকে, সারসংক্ষেপ যায় সকাল ৭টায় বাংলাদেশ সময়ে, আর ছুটি শুক্র-শনি - শনি-রবি নয়।
সব ডিভাইসে একই
বিদেশি টাইমজোনে সেট করা ফোন, UTC-তে সেট করা ল্যাপটপ আর সার্ভার - সবাই একমত কোন দিনে শুনানি, কারণ সিদ্ধান্ত নেয় অ্যাপ, ডিভাইস নয়।
টাইমজোন কেন জরুরি
ভুল দিন মানে শুনানি মিস।
বেশিরভাগ সফটওয়্যার সময় রাখে UTC-তে আর দেখায় ডিভাইস যে টাইমজোনে আছে সেটায়। চেম্বারের জন্য এটা বিপজ্জনক। বাংলাদেশ UTC-র চেয়ে ছয় ঘণ্টা এগিয়ে, তাই রাতে লেখা তারিখ আগের দিনে চলে যেতে পারে, আর সকাল সাতটার রিমাইন্ডার সার্ভারের ঘড়ি অন্যভাবে পড়লে পৌঁছাতে পারে দুপুর একটায়।
তারিখ অ্যাপ্লিকেশন স্তরেই টাইমজোন Asia/Dhaka-তে বেঁধে রাখে। তারিখ সংরক্ষিত হয় ক্যালেন্ডারের দিন হিসেবে, টাইমস্ট্যাম্প নয় - তাই আঠারো তারিখের শুনানি আঠারো তারিখেই, ফোন কোথায় কেনা বা ল্যাপটপের ঘড়ি কী বলে তাতে কিছু যায় আসে না। সারসংক্ষেপের সময়সূচি চলে বাংলাদেশ সময়ে, আর জানে যে কাজের সপ্তাহ রবি থেকে বৃহস্পতি।
বকেয়ার খাতাও একই নিয়মে চলে। প্রতিটি পেমেন্টে বাংলাদেশ সময়ে লেখার তারিখ আর যিনি লিখেছেন তাঁর নাম থাকে। মক্কেল বা চেম্বারের হিসাবরক্ষকের জন্য মামলা PDF-এ এক্সপোর্ট করলে খাতাটাও সাথে যায় - শুনানি ও নোটের পাশে, প্রতিবার একই ক্রমে।
আরও দেখুন
তারিখের বাকিটা দেখুন।
আপনার চেম্বার, এক স্ক্রিনে।
আইন চেম্বারের বাংলা ডায়েরি, এখন AI আইন গবেষণাসহ। ১৪ দিন ফ্রি। কোনো পেমেন্ট লাগবে না।